শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ০৮:১০ অপরাহ্ন

News Headline :
১৮ জুলাই পাবনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলির ঘটনার কোন বিচার হবে না ? মতিহার থানার ধরমপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, দাফন সম্পন্ন পাবনায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের উপর হামলা পাবনায় কবি “বন্দে আলী মিয়ার সাহিত্য কর্মে সমকালীন সমাজ” গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সাথে বাসের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত আহত ১০ জন পাবনায় ২টি বিদেশি পিস্তল ম্যাগজিন ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার রাজশাহী মতিহার থানার ইন্সপেক্টর পরিচয়ে প্রতারণা, বিকাশে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক (CRN) বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত পাবনার আটঘরিয়ায় মিয়াপাড়ার আব্দুস সালাম ৬বছর ধরে শিকলবন্দী রহস্য উদঘাটনের দাবি এলাকাবাসীর ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ গৃহবন্দি

রাজবাড়ীতে নয়ন হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেপ্তার

Reading Time: < 1 minute

রাজু আহমেদ রাজবাড়ী:
রাজবাড়ীতে গোয়ালন্দে নিখোঁজ হবার (৩ ) দিন পর গত ১১ মে মঙ্গলবার দুপুরে নাসির ইসলাম নয়ন (২০) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নাসির ইসলাম নয়ন গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের দুদুখান পাড়ার শাহজাহান শেখের ছেলে। পাশ্ববর্তী মঙ্গলপুর গ্রামের মশিউর রহমান নামে এক ব্যাক্তির নির্মানাধীন বাড়ির পিছনে বালির নিচে নয়নের লাশ পুতে রেখেছিল ঘাতক। ঘটনার ৫ দিন পর গত ১৬ মে রবিবার পুলিশ এ হত্যাকান্ডের একমাত্র ঘাতক মানিক হোসেন ওরফে আজমীরকে (১৮) গ্রেফতার করে।সে উজানচর ইউনিয়নের দরাপের ডাঙ্গীর হিরু শেখের ছেলে।সে হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। এ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মুরাদ হোসেন জানান,মানিক হোসেন ওরফে আজমীরকে চর দৌলতদিয়া হামিদ মৃধার হাট এলাকায় তার নানা বাড়ি হতে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার রাজবাড়ীর চীফ জুডিশিয়াল আদালতের বিচারক সুধাংশু শেখরের আদালতে সে হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। মানিকের উদ্ধৃতি দিয়ে এসআই মুরাদ জানান, নয়নের সাথে মানিকের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। ঘটনার রাতে তারা একসাথে বসে তারি খায়।এরপর তাদের মধ্যে মাতলামি ভাব আসলে একটা বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এ সময় হাতের কাছে থাকা হাতুরি দিয়ে মানিক নয়নের মাথার পিছন দিকে সজোরে আঘাত করে। এতে সে লুটিয়ে পড়ে এবং কিছুক্ষণ পর মারা যায়। এরপর লাশ গোপন করার জন্য সে একটি কোদাল জেগার করে মশিউর রহমানের বাড়ির পিছনে বালির নিচে পুঁতে রাখে।এ হত্যাকাণ্ডের সাথে সে ছাড়া আর কেউ জড়িত ছিল না বলে আদালতকে জানায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com